গত বুধবার স্বাস্থ্য ও শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির এ-সংক্রান্ত নির্দেশিকা নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছিল পেন্টাগন। তবে বৃহস্পতিবারই সেই নির্দেশনা ও মুখপাত্র শন পারনেলের একটি বিবৃতি ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। ওই কর্মকর্তা জানান, নির্দেশিকাটি হালনাগাদ করার সুযোগ দিতে সাময়িকভাবে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা বহাল রয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ গত জুলাইয়ে এই বাধ্যতামূলক পরীক্ষার ঘোষণা দেন। এর লক্ষ্য ছিল হরমোনজনিত সমস্যা শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সেনাদের যুদ্ধপ্রস্তুতি বাড়ানো। বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে পুরুষ ও নারী সেনাদের জন্য প্রশ্নমালার মাধ্যমে হরমোন ঘাটতি যাচাই এবং প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা ও হরমোন থেরাপির সুযোগ রাখা হয়েছিল এতে।
তবে চিকিৎসকেরা এমন সিদ্ধান্তের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ও কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, সব সেনার ওপর এমন ঢালাও পরীক্ষা অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর চিকিৎসার ঝুঁকির কারণ হতে পারে। আমেরিকান ইউরোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন কিংবা এন্ডোক্রাইন সোসাইটি সুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ ধরনের নিয়মিত পরীক্ষার সুপারিশ করে না।
চিকিৎসকেরা সতর্ক করে বলছেন, অপ্রয়োজনে টেস্টোস্টেরন গ্রহণ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি, রক্তে লোহিত কণিকা বৃদ্ধি, বন্ধ্যাত্ব বা সুপ্ত প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। আমেরিকান কলেজ অব ফিজিশিয়ানসের সাবেক সভাপতি ডা. জেসন গোল্ডম্যান বলেন, ‘টেস্টোস্টেরন গ্রহণ করলেই কেউ বেশি পুরুষালি বা শক্তিশালী হয়ে ওঠে না। বিষয়টি এভাবে কাজ করে না। এটি সব দিক থেকেই একটি খারাপ নীতি।’





