গত মাসে জার্মানির লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে একটি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন উদ্ধারের ঘটনায় রাশিয়াকে দায়ী করে বার্লিন। এর জের ধরে তারা বার্লিনে অবস্থিত একটি রুশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং বনে অবস্থিত একটি কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দেয়।
ল্যাভরভ জানান, মস্কো, সেন্ট পিটার্সবার্গ ও ইয়েকাতেরিনবুর্গ শহরে থাকা গ্যেটে ইনস্টিটিউটের শাখাগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসকে তিনি বলেন, ‘তারা (জার্মানি) জেনেশুনেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মাধ্যমে রাশিয়ায় তাদের সাংস্কৃতিক উপস্থিতির সমাপ্তি ঘটলো।’
লাইপজিগ বিমানবন্দরে গত ৪ আগস্ট রাতে ইউক্রেনীয় একটি কার্গো বিমানের কাছে ড্রোনটি উদ্ধারের পর তা নিষ্ক্রিয় করা হয়। জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ডট এটিকে রাশিয়ার হাইব্রিড আক্রমণ বলে অভিযোগ করেছেন। তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, মস্কোকে দায়ী করতেই মনগড়া তথ্যপ্রমাণ সাজানো হয়েছে।
এদিকে আয়ারল্যান্ডে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকে জোটের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস বলেন, এই ঘটনায় রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের স্পষ্ট ছাপ রয়েছে। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো জানান, তিনিও প্যারিসে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছেন। এছাড়া রাশিয়ার সামরিক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ১,৬০০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।





