শনিবার সকালে প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্গত এলাকাগুলো থেকে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৪৫১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া আহত ১০১ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকায় অন্তত ২৭ জন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে দেশটির ১৫ হাজার ২২৪ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে চিতওয়ানে সর্বোচ্চ ২৩৩ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এছাড়া পূর্ব নাওয়ালপরাসিতে ১৫৮, গোরখায় ৪৮, পশ্চিম নাওয়ালপরাসিতে ৪৭, ধাদিংয়ে ৪৫, নুয়াকোটে ৪১, তানাহুনে ৩১ এবং রসুয়ায় ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
গত বুধবার সকালে নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় রসুয়া ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে আঘাত হানা এই পাহাড়ি ঢল ভোটেকোশি ও ত্রিশূলি নদীতে তীব্র জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে। এতে বহু ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ভেসে যায়। বহু এলাকার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ত্রাণ কার্যক্রম সচল করতে ধ্বংসস্তূপ ও কাদা সরিয়ে রাস্তাঘাট পরিষ্কারের কাজ চলছে। দুর্গত প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।





