যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই পদক্ষেপের পর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, অটোয়াও সমপরিমাণ অর্থাৎ ‘ডলারের বিপরীতে ডলার’ হিসেবে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে। এক বিবৃতিতে কার্নি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় আমরা কানাডার স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছিলাম। কিন্তু সেই অগ্রগতি কানাডাবাসীদের লক্ষ্য পূরণের জন্য যথেষ্ট ছিল না।’ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও কর্মীদের সুরক্ষায় শিগগিরই তার সরকার নতুন নানা সহায়তামূলক পদক্ষেপ আনবে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে এই আলোচনা ব্যর্থতার জন্য পুরোপুরি কানাডাকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জ্যামিসন গ্রিয়ার এক বিবৃতিতে বলেন, এটি কানাডার জন্য একটি হাতছাড়া হওয়া সুযোগ। তিনি বলেন, সপ্তাহজুড়ে যেসব শর্তে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে এসে কানাডা সেই সমঝোতা মেনে নিয়ে চুক্তি চূড়ান্ত করতে অস্বীকৃতি জানায়।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই ৫০ শতাংশ শুল্কের কবলে পড়েছে ইলেকট্রনিক্স, শিল্প কলকারখানার যন্ত্রপাতি এবং দুগ্ধজাত পণ্য, যা যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার মোট রপ্তানির প্রায় ৫ শতাংশ। এর আগে গত বছর ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পরই কানাডা থেকে আসা ইস্পাত, কাঠ ও গাড়ির ওপর শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যার জবাবে অটোয়াও পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছিল।
মন্ট্রিয়লের ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটির বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ জুলিয়ান কারাগুয়েসিয়ান সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে বলেন, ৫০ শতাংশের মতো এত চড়া শুল্কের কারণে কানাডার শত শত পণ্য মার্কিন বাজার থেকে কার্যত ছিটকে পড়বে, যা দেশটির অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা দেবে।





