জনসভায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আসলে জিতেছি কি না তাও জানি না, কারণ আমি হরমুজ প্রণালিকে এই মুহূর্তে আমেরিকার এলাকা হিসেবেই দেখছি।’ প্রয়াত সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শূন্য আসনে নির্বাচন করা তার বোন ডারলিন গ্রাহামের পক্ষে প্রচারে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ভাষণে অভিবাসীবিরোধী কবিতা ‘দ্য স্নেক’ আবৃত্তি করার আগে ট্রাম্প ঠাট্টা করে বলেন, ‘আজ শুক্রবার রাত। আমাদের হাতে প্রচুর সময় আছে। আমার আর নতুন কী কাজ আছে? ফিরে গিয়ে ইরানে আরেকটু বোমা মারা?’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, অবরুদ্ধ পরিস্থিতি কার্যকর করতে শুক্রবার পর্যন্ত অন্তত৬৮টি বাণিজ্যিক জাহাজের পথ ঘুরিয়ে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত মোট তেলের প্রায় পাঁচভাগের একভাগ কৌশলগত এই জলপথ দিয়ে প্রবাহিত হয়, যা ইরান ও ওমানের সীমান্তে অবস্থিত।
এর আগেও ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ ঘোষণার হুমকি দিয়েছিলেন। গত সপ্তাহে নিউ ইয়র্কের একটি পুলিশ একাডেমিতে তিনি বলেছিলেন, নৌ অবরোধের মাধ্যমে পুরোটাই মার্কিন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তারা অনুমতি না দিলে কোনো জাহাজ সেখান দিয়ে যেতে পারছে না। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই জলপথকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এলাকা’ হিসেবে চিহ্নিত করে একটি মানচিত্রের ছবি পোস্ট করেছিলেন তিনি।
ট্রাম্পের এসব মন্তব্য ও দাবিকে ভিত্তিহীন এবং তেহরানকে মানসিক চাপে ফেলার ‘বিভ্রান্তিকর ফ্যান্টাসি’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি।





