চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস সামরিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, মার্কিন নজরদারি ও টহল বিমানটির পুরো পথ অনুসরণ ও পর্যবেক্ষণ করেছে চীনা সামরিক বাহিনী। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে দাবি করেছে বেইজিং।
গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চীন এবং প্রণালিটির ওপর নিজস্ব এখতিয়ার রয়েছে বলে মনে করে। অন্যদিকে তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্র মনে করে এটি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ। বেইজিংয়ের বিরোধিতা সত্ত্বেও মার্কিন নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী নিয়মিত বিরতিতে এই স্পর্শকাতর প্রণালি অতিক্রম করে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বাণিজ্য বিরোধ, প্রযুক্তি নিষেধাজ্ঞা এবং তাইওয়ান সংকট নিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, তা স্বাভাবিক করার লক্ষ্যেই এ বৈঠকের উদ্যোগ।
মার্কিন ৭ম ফ্লিটের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তাইওয়ান প্রণালিতে কার্যক্রম চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সব দেশের নৌ চলাচলের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষা করছে। আন্তর্জাতিক আইন যেখানে অনুমতি দেয়, মার্কিন সামরিক বাহিনী সেখানেই বিমান চালাবে, জাহাজ পাঠাবে এবং কার্যক্রম পরিচালনা করবে।’
তাইওয়ান ইস্যুকে নিজেদের রেড লাইন হিসেবে উল্লেখ করে চীন বহুবার বলেছে এটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে তাইওয়ান সরকার বেইজিংয়ের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, তাদের ভবিষ্যৎ কেবল তাইওয়ানের জনগণই নির্ধারণ করবে।





