পুলিশ হেফাজতে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আজ সকালে হালিশহরে যাচ্ছিলেন মমতা। পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। বিক্ষোভকারীরা তৃণমূল প্রধানের গাড়ি ঘিরে ধরে কাদা লেপে দেয় এবং জুতা ও পানির বোতল ছোড়ে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও এলাকা ‘চোর ভাগাও’ স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে।
পরে সাংবাদিকদের মমতা বলেন, ‘পুলিশের সামনেই বাইরের সমাজবিরোধীরা আমার গাড়িতে পাথর ছুড়েছে। গাড়ির জানালা বন্ধ না থাকলে আমার মাথা ফেটে যেত, মরেও যেতে পারতাম। আমি এর আগে কখনো এমন হামলার মুখে পড়িনি। আমাদের রক্ষায় পুলিশ কিছুই করেনি। তারা কেবল বিজেপিকেই নিরাপত্তা দেয়।’
তার সঙ্গে থাকা লোকসভা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভা সাংসদ দোলা সেনও প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুলিশকে ব্যবহার করে এই সব করাচ্ছেন।’
রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। দায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, কাঁচরাপাড়া পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর জেনি শর্মার স্বামী বিরজু কেওত পুলিশ হেফাজতে মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই আজ সেখানে গিয়েছিলেন মমতা। গত শুক্রবার বিরজুকে গ্রেপ্তারের পর হেফাজতে নিয়ে নির্যাতন করে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী।





