প্রত্যক্ষদর্শীরা রয়টার্সকে জানান, শনিবার ভোরে শহরজুড়ে ডজনেরও বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। হামলায় কিয়েভের শেভচেনকিভস্কি জেলার একটি আবাসিক ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলা ধসে পড়ে ভেতরে অনেক মানুষ আটকা পড়েছেন। এছাড়া শহরের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং বেশ কিছু গুদামঘরে আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে।
চলতি সপ্তাহে কিয়েভে রাশিয়ার এটি দ্বিতীয় বড় হামলা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাশিয়ার একটি সন্দেহভাজন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পোল্যান্ড সীমান্তে আঘাত হানে। ওইদিন ইউক্রেনের ওপর চালানো বড় এক হামলায় ক্রিভি রিহের কাছের একটি গ্রামে একই পরিবারের ছয়জনসহ মোট নয়জন নিহত হয়েছিলেন।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ইউক্রেনের কাছে পর্যাপ্ত প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র নেই। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইউক্রেনও রাশিয়ার বিভিন্ন তেলের ডিপো লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করেছে।
এই সংকটের মধ্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র নিজ দেশে তৈরির লাইসেন্স পেতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেনকে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে, তবে ওয়াশিংটন এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের প্রযুক্তি কাউকে দেয়ার বিষয়ে আমাদের খুব সতর্ক হতে হবে। কারণ, যাদের আজ এই প্রযুক্তি দেয়া হচ্ছে, কাল তারা আমাদের বিপক্ষেই এটি ব্যবহার করতে পারে। এমন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে খুব বিচার-বিবেচনা করে এগোতে হবে।’





