হুথিরা কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোখা বন্দরনগরী এবং বাব এল-মান্দেব প্রণালির কাছের কয়েকটি দ্বীপ দখল করে নিয়েছে। এর ফলে বিশ্ব বাণিজ্যের ১২ শতাংশের নিয়ন্ত্রণ এখন তাদের হাতের মুঠোয়। বর্তমানে তারা তেলসমৃদ্ধ মারিব প্রদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যা সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের অন্যতম প্রধান সামরিক ঘাঁটি। অন্যদিকে এই যুদ্ধে মার্কিন প্রশাসন কোনো ধরনের সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপে জড়াবে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছে।
হুথিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি এপিকে জানান, মূলত সৌদি আরবই ইয়েমেনের যাতায়াত পথ বন্ধ করে অন্যায্য অবরোধ চাপিয়ে দিয়েছিল। তাই তারা সৌদি তেলের ট্যাংকার ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। সাম্প্রতিক লড়াইয়ের ফলে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ইয়েমেনি নাগরিক নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। নিহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন বেসামরিক মানুষ।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থা (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, ইয়েমেনে খাদ্য, স্বাস্থ্য ও পানির তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। জাতিসংঘের প্রয়োজনীয় তহবিলের মাত্র ২০ শতাংশ অনুদান পাওয়া গেছে, যার ফলে লাখ লাখ মানুষের জীবন এখন হুমকির মুখে। আঞ্চলিক বিভিন্ন দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্ব মেটানো ছাড়া ইয়েমেন সংকটের স্থায়ী সমাধান করা কঠিন হয়ে পড়েছে।





