ইউরোপ জুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের চরম প্রভাবের মধ্যে আবারও তাপদাহে পুড়ছে ইতালি। উত্তর আফ্রিকা থেকে আসা অ্যান্টিসাইক্লোনের প্রভাবে দেশটির রাজধানী রোমসহ তীব্র তাপমাত্রার কারণে ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন শহরের ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত স্বাস্থ্য সতর্কতা ও নির্দেশিকা জারি করে আসছে।
সম্প্রতি ২১টি শহরে রেড অ্যালার্টসহ ২৭টি বড় শহরের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করে চার স্তরের কালার-কোডেড অ্যালার্ট জারি করেছে।
তাপমাত্রার সবথেকে ভয়াবহ রূপ দেখা গেছে দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ সিসিলিতে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে এসে কাস্তেলতেরমিনি ও সির্যাকিউস অঞ্চলে পারদ ছুঁয়েছে অবিশ্বাস্য ৪৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা ইতালির আবহাওয়ার ইতিহাসে নতুন রেকর্ড। বিভিন্ন শহরে ঘটছে, রাস্তায় থাকা গাড়িতে আগুন লাগার ঘটনাও ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আফ্রিকার এই উত্তপ্ত বায়ুপ্রবাহ কেবল মানুষের স্বাস্থ্যকেই নয়, গোটা ইউরোপের অর্থনীতি ও পরিবেশকেও এক বড় সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এদিকে প্রবাসী বাংলাদেশীরাও চরম পরিস্থিতি ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
২০২৬ সালের এই তাপদাহ প্রমাণ করছে—জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর ভবিষ্যতের হুমকি নয়, বরং বর্তমানের এক কঠোর বাস্তবতা। এদিকে এই জুলাইয়ে চরম গরমে হিটস্ট্রোক ও ডিহাইড্রেশনে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রবীণদের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।





