প্রতিবার যুদ্ধবিরতির কথা বললেও তা ভাঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মধ্যদিয়ে। তবে এবার সেক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে ব্যতিক্রম। অর্থাৎ ৫ দিনের যুদ্ধবিরতির পর এবার জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে আকস্মিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা চালিয়েছে ইরান। অবশ্য তা সফলভাবে প্রতিহত করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী-সেন্টকম।
সেন্টকমের এমন দাবির পর হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে আইআরজিসি। তারা জানান, জর্ডানে একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটি এবং সেন্ট্রাল কমান্ডের একটি কেন্দ্র লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা চালানো হয়েছে। তবে ইরানের ৫টি ড্রোন ভূপাতিতেরও দাবি করেছে জর্ডান।
গত একমাসে আইআরজিসি-নির্দেশিত ৩০টি ড্রোন হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই ইরাকে হামলা চালিয়েছে মার্কিন ও সৌদি বাহিনী। মূলত এ হামলা চালানো হয়েছে ইরাকে ইরান সমর্থিত আধাসামরিক বাাহিনী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস বা পিএমএফকে লক্ষ্য করে। এতে ওই গোষ্ঠীর বেশ কয়েকজন সদস্যের হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। তবে এ ধরণের হামলায় মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়বে বলে সতর্ক করেছে পিএমএফ। অন্যদিকে, বুধবার ভোরে ইয়েমেনের সা'দা প্রদেশে একটি সৌদি গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী।
এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের প্রবেশ ও বহির্গমনের পথ দুটি দেশ সমানভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে—জাতীয় নিরাপত্তার কারণে ওমানের এমন প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে ইরান।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেন, একটি নির্ধারিত নৌপথ সম্পূর্ণরূপে ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। অন্য পথের একটি অংশ তেহরানের ভূখণ্ডের মধ্যে থাকবে। যাতে ইরান অভ্যন্তরীণ ও বহির্গামী ট্রানজিট রুটগুলোর ওপর কার্যকরভাবে তদারকি করতে পারে
এদিকে, হরমুজ প্রণালীতে তিনটি ট্যাংকার থামানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। এরইমধ্যে, মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের ৪ শতাংশের কিছুটা বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৮২ ডলারে পৌঁছেছে।





