আন্দোলনের মুখে ককরোচ জনতা পার্টি ও শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় মোদি সরকার। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর বিক্ষোভকারীদের মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার ও পুলিশি হামলার বিচারের দাবিও মেনে নেয়ার আশ্বাস পায় ককরোচ জনতা পার্টি। তবে বিহার ও বাংলাসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে ফুটেজ দেখে শত শত শিক্ষার্থীকে নজরদারি, গ্রেপ্তার ও হয়রানির করার অভিযোগ উঠেছে।
এমন অবস্থায় আটক বিক্ষোভকারীদের অবিলম্বে মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকারকে একদিনের সময় বেঁধে দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। এ বিষয়ে লিখিত প্রতিশ্রুতি না দিলে আবারও রাস্তায় নামার হুশিয়ারি জানিয়েছে সংগঠনটি। এক বিবৃতিতে সিজেপি জানায়, দেশের কোথাও কোনো বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে জবরদস্তি বা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া যাবে না। এরই মধ্যে আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের সহায়তায় আইনি পোর্টাল ও সুরক্ষা তহবিল চালু করেছে সিজেপি।
বিক্ষোভের হুঁশিয়ারির পরই ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে গভীর রাতে বৈঠকে বসেন সরকারের প্রতিনিধিদল। ৩ ঘণ্টার বৈঠক শেষে সিজেপি মুখপাত্র জানান, মামলা প্রত্যাহার, আটকদের মুক্তি ও ভবিষ্যতে কোনো ব্যবস্থা না নেয়াসহ তাদের সুরক্ষায় সরকার পুনরায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। শুধু দিল্লি নয় আসাম, বিহারসহ অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে।
আর পড়ুন:
ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, ‘আমাদের আশঙ্কা সরকার তার দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না। বিহার সরকার এরই মধ্যে একটা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে যে, তারা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে না এবং সব অভিযোগ প্রত্যাহারের আশ্বাসও দিয়েছে।’
এদিকে, যন্তর-মন্তরে আন্দোলনে সহিংসতার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ। ফেসিয়াল রিকগনিশন ও পূর্বের রেকর্ড ঘেঁটে এরই মধ্যে প্রায় ৩ হাজার অপরাধীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। যাদের মধ্যে অন্তত ৯৮৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, ডাকাতি এবং যৌন নিপীড়নসহ একাধিক মামলা রেকর্ড রয়েছে। এছাড়া, এসব অপরাধীর অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে দাবি পুলিশের। '
এদিকে, সিজেপির ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে জানান সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এছাড়া, পাঞ্জাব প্রদেশে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।




