২০০৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ন্যাশনাল র্যালি পার্টির হয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের তহবিল থেকে প্রায় ২৯ লাখ ইউরো (প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকা) আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে মারিন লো পেনের বিরুদ্ধে। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে প্যারিসের একটি আদালত তাকে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করে এবং গৃহবন্দী থাকার সাজা দেয়। মারিন লো পেন ও তার দল শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই মামলা করা হয়েছে।
আগামী ২০২৭ সালের ১৮ এপ্রিল ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোট হবে। মারিন লো পেনকে এই নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ-র উত্তরসূরি হিসেবে অন্যতম প্রধান দাবিদার মনে করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে মারিন লো পেন বলেন, ‘যদি আমি প্রার্থী হতে পারি, তবেই আমি লড়ব। কিন্তু আমাকে যদি প্রচার চালানোর সুযোগ না দেয়া হয়, তবে সেটি সম্ভব হবে না।’
আদালতের রায় যদি মারিন লো পেনের বিপক্ষে যায়, তবে তার ৩০ বছর বয়সী উত্তরসূরি জর্ডান বারদেলা দলের প্রার্থী হিসেবে লড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আপিল আদালত সাজা বহাল রাখলে মারিন লো পেন ফ্রান্সের সর্বোচ্চ আদালত কোর্ত দ্য ক্যাসেশনে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। সে ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও প্রায় ছয় মাস সময় লাগতে পারে।





