নিহতের এই সংখ্যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ২০২৫ সালের জুন মাসে তাপদাহে ৪০৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যা ছিল তখন পর্যন্ত রেকর্ড। স্পেনের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা এমেট (এইমিইট) জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। গত ১০ বছরের মধ্যেই স্পেনের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ সাতটি সেমিস্টার বা ছয় মাস অতিবাহিত হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের জুন মাসটি ছিল ইতিহাসের দ্বিতীয় উষ্ণতম জুন, যেখানে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন’ জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়া জুনের এই সময়ে এ ধরনের তীব্র তাপদাহ হওয়া ‘প্রায় অসম্ভব’ ছিল। এই তাপপ্রবাহকে ইউরোপের ইতিহাসে এযাবৎকালের ভয়াবহতম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
শুধু স্পেন নয়, জার্মানি, পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া এবং হাঙ্গেরিতেও তাপমাত্রার আগের সব রেকর্ড ভেঙে গেছে। যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ডেও জুনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। ফ্রান্সে গড় তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি ইতিহাসের সর্বোচ্চ রাতের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা জনজীবনকে চরম সংকটে ফেলেছে।





