মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, এই চোরাচালান চক্রটি আমদানি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে ডিজেল ও পেট্রোল পাচার করে আসছিল। এই অবৈধ ব্যবসা থেকে প্রতিবছর কার্টেলটি কোটি কোটি ডলার আয় করে। মার্কিন সরকারের তথ্যমতে, মাদক পাচারের পর বর্তমানে জ্বালানি চোরাচালান ও অপরিশোধিত তেল চুরিই মেক্সিকান কার্টেলগুলোর আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস।
ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, ‘আজকের এই পদক্ষেপ মেক্সিকান কার্টেলগুলোর মাদক ব্যবসার বাইরে অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের বিস্তৃতি তুলে ধরছে। এই অপরাধী চক্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণঘাতী মাদক পাচারও অব্যাহত রেখেছে।’
মেক্সিকোতে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর ‘আইইপিএস’ নামক একটি উচ্চ কর ধার্য রয়েছে। কার্টেলগুলো কাস্টমস নথিপত্রে জালিয়াতি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে এই কর ফাঁকি দেয়। মেক্সিকো নিজে বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও শোধনাগারগুলোর বেহাল দশার কারণে তাদের জ্বালানি আমদানি করতে হয়। পাচারকৃত এই তেল পরে কার্টেল-নিয়ন্ত্রিত পেট্রোল পাম্পগুলোর মাধ্যমে চড়া লাভে বিক্রি করা হয়। চোরাচালানের এই টাকা পরে বিলাসবহুল পণ্য ও রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগের মাধ্যমে লন্ডারিং করা হয়।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন অস্কার জুরাইদিনি এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন সাতটি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া জে. রেফুগিও রুইজ এবং তার দুটি লজিস্টিক প্রতিষ্ঠানের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সীমান্তপার জ্বালানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।





