নাঈম কাসেম চুক্তিটিকে ‘অকার্যকর ও বাতিল’ ঘোষণা করে লেবানন সরকারকে একতরফা ছাড় দেয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, এই চুক্তি লেবাননের সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ণ করেছে। বিশেষ করে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের শর্ত জুড়ে দেয়ার সমালোচনা করেন তিনি। তার মতে, এর মাধ্যমে ইসরাইলের সামরিক উপস্থিতিকে বৈধতা দেয়া হয়েছে এবং সব ‘লাল সীমা’ অতিক্রম করা হয়েছে।
হিজবুল্লাহ প্রধান জোর দিয়ে বলেন, তার দল সশস্ত্র প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও আমরা যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে যাইনি এবং এখনো যাব না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, চলতি মাসের শুরুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক, যেখানে লেবাননের ভৌগোলিক অখণ্ডতার গ্যারান্টি দেয়া হয়েছিল, সেটিই হওয়া উচিত সংঘাত অবসানের ভিত্তি।
এদিকে চুক্তির পরের দিনই দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, সেখানে তাদের পদাতিক বাহিনী না থাকায় ড্রোনের মাধ্যমে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, ইসরাইলি বাহিনীর জন্য হুমকি এমন এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে এই হামলা করা হয়। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য বা প্রমাণ তারা দেয়নি।
হিজবুল্লাহ ও ইরানের দাবি অনুযায়ী, ওয়াশিংটন দুই সপ্তাহ আগে সই হওয়া বড় যুদ্ধের সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে লেবাননে সংঘাত বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু শুক্রবারের নতুন ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের একটি বিস্তৃত নিরাপত্তা অঞ্চলে অবস্থান করার সুযোগ পাবে, যা হিজবুল্লাহ মেনে নিতে রাজি নয়।





