২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে জিও টেলিকম কোম্পানি। সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট ও টেলিকম সুবিধা দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ভারতের টেলিযোগাযোগ বাজারে বড় পরিবর্তন আনে তারা। মাত্র ১০ বছরেই গ্রাহকসংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ৫০ কোটি। গেল বছর জিও স্পেস এক্সের সঙ্গে চুক্তি করে ভারতে স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেট সেবা চালুর উদ্যোগ নেয়। টেলিকম সেবার পাশাপাশি ক্লাউড কম্পিউটিং, করপোরেট সেবা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা বিস্তৃত করেছে জিও।
ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি ভারতের টেলিকম খাতের চিত্র বদলে দিয়েছে। এবার জিও প্ল্যাটফর্ম শেয়ারবাজারে আসার ঘোষণা দিয়েছে। এরইমধ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও'র খসড়া বিবরণী অনুমোদন করেছে জিওর পরিচালনা পর্ষদ।
এই প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে প্রায় ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার তোলার লক্ষ্য নিয়েছে কোম্পানিটি। যা ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আইপিও হতে যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের শেয়ারবাজারে কয়েক মাসের অস্থিরতার নতুন এই শেয়ার ইস্যু নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ যাচাইয়ে জিওর তালিকাভুক্তি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে সাম্প্রতিক মন্দা কাটিয়ে আস্থা ফিরতে পারে ভারতের শেয়ারবাজারে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মুকেশ আম্বানি বলেন, জিওর এই তালিকাভুক্তি থেকে বিশ্ববাসী দেখবে, ভারত বিশ্ব মানের প্রযুক্তি কোম্পানি গড়ে তুলতে সক্ষম।
প্রায় এক বছর অপেক্ষার পর আইপিও ঘোষণা করলো জিও। গেল বছর আম্বানি বলেছিলেন, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধেই কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে আসবে। এই তালিকাভুক্তি রিলায়েন্স গ্রুপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।





