প্রাথমিক তদন্ত শেষে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি একটি ‘সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে চালানো বিচ্ছিন্ন হামলা’ ছিল। তবে নিহত বা আহত ব্যক্তি এবং আটককৃত তরুণের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। আহত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। উইলমিংটন পুলিশ প্রধান উইলফ্রেডো ক্যাম্পোস সাংবাদিকদের বলেন, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তারা হাসপাতালে গুলির খবর পান।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ক্রিশ্চিয়ানা-কেয়ার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হামলার পরপরই হাসপাতালটি ‘লকডাউন’ করে দেয়া হয় এবং জরুরি বিভাগের রোগীদের অন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। মেয়র জন কার্নি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘হাসপাতালের মতো জীবন রক্ষাকারী জায়গায় এমন সহিংসতা অত্যন্ত পীড়াদায়ক। যদি কোনো নিরাপদ আশ্রয়স্থল থেকে থাকে, তবে সেটি হওয়ার কথা ছিল এই হাসপাতাল।’
হাসপাতালের কর্মী ব্রায়ান ফেফার জানান, তিনি হঠাৎ পটকা ফাটার মতো বিকট শব্দ শুনতে পান এবং দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ এখানে নিরাপদ থাকতে আসে, সেখানে এমন ঘটনা সত্যিই ভীতিজনক।’ এফবিআই এবং ডেলাওয়্যার স্টেট পুলিশসহ বেশ কয়েকটি সংস্থা এই ঘটনার তদন্তে সহায়তা করছে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নিশ্চিত করেছে যে কীভাবে হামলাকারী হাসপাতাল থেকে পালিয়েছিল।
ডেলাওয়্যারের গভর্নর ম্যাট মেয়ার এই ঘটনাকে ‘মর্মান্তিক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আজকের এই দিনটি মনে করিয়ে দেয় যে বন্দুক সহিংসতার হাত থেকে কেউ নিরাপদ নয়।’ ক্রিশ্চিয়ানা-কেয়ারের হবু প্রেসিডেন্ট ও সিইও জেনিফার শোয়ার্টজ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এই পরিস্থিতিকে পুরো সম্প্রদায়ের জন্য একটি গভীর যন্ত্রণার মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেছেন।





