রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ইয়টটি ‘বিপজ্জনক গতিপথে’ ছিল এবং একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা সত্ত্বেও সেটি যুদ্ধজাহাজের খুব কাছে চলে আসে। তাদের দাবি, প্রথমে সিগন্যাল রকেট ছোড়া হয়, পরে সতর্কতামূলক গুলি। তবে ইয়টে থাকা ব্রিটিশ দম্পতি জেন ও অ্যালান কেলভি রুশ বিবরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। জেন কেলভি বলেন, ‘ওরা পাঁচবার হর্ন বাজায়, যার অর্থ—তোমরা কি আমাদের দেখেছ? আমরা পথ পরিবর্তন করি। এরপর ছোট অস্ত্র থেকে চার–পাঁচটি গুলি ছোড়া হয়, যা আকাশে উঠে যায়।’ তিনি বলেন, ‘আমরা সংঘর্ষপথে ছিলাম না, গুলির আগ পর্যন্ত ঘটনাটি বড় কিছু ছিল না।’
ঘটনায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। রয়্যাল নেভির টহল জাহাজ এইচএমএস টাইন ইয়টটির কাছে গিয়ে ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এই ঘটনা ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন ব্রিটিশ বাহিনী রাশিয়া–সংশ্লিষ্ট তেলবাহী ট্যাঙ্কার ‘স্মিরটোস’ জব্দ করেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এটিই প্রথমবার ব্রিটিশ বাহিনী সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞাভুক্ত জাহাজ জব্দ করলো।
ব্রিটিশ সূত্রগুলো ঘটনাটিকে আপাতত বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখলেও আশঙ্কা রয়েছে, রাশিয়া পাল্টা পদক্ষেপ নিতে পারে। ‘অ্যাডমিরাল গ্রিগোরোভিচ’ ১২৫ মিটার দীর্ঘ ফ্রিগেট, যার প্রধান কামান মিনিটে ৮০ রাউন্ড পর্যন্ত গুলি ছুড়তে সক্ষম। এটি চলতি বছরে নিয়মিত ব্রিটিশ জলসীমার কাছাকাছি মোতায়েন ছিল এবং সাধারণত রয়্যাল নেভির জাহাজ দ্বারা নজরদারিতে থাকে।





