পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪ দিনব্যাপী এই বৈঠকে নয়াদিল্লির এজেন্ডায় ‘পুশইন’র বিষয়টি উল্লেখ নেই। যদিও, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গত রোববার জানিয়েছিলেন- মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে পুশ ইন ও সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া আরও জানাচ্ছে, এক বিবৃতিতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ দাবি করেছে, দুই সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে আরও ভালো সমন্বয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। চার দিনব্যাপী ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
অন্যদিকে, ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন বিএসএফের মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার। সম্মেলন চলবে ১১ জুন পর্যন্ত।





