বোস্টন ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত অভিজিৎ দিপকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নামে এ আন্দোলনের সূচনা করেন। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি দাবি করেন যে তাদের ‘আইকনিক’ ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। দিপকে জানান, তার ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট এবং সিজেপির ইনস্টাগ্রাম পেজও হ্যাক করা হয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগে চালু হওয়া সিজেপির ইনস্টাগ্রাম পেজে ২ কোটি ২০ লাখের বেশি অনুসারী ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
এই আন্দোলনের নাম ও লোগো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নামের সঙ্গে ব্যঙ্গাত্মকভাবে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
দিপকের দাবি অনুযায়ী, এক সপ্তাহে প্রায় ১০ লাখ মানুষ আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে এবং একটি পিটিশনে ৬ লাখ মানুষ স্বাক্ষর করেছে। তাদের দাবি, ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। সম্প্রতি ভারতে পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে চিকিৎসা প্রবেশিকা পরীক্ষা বাতিল হওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে।
এ বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিজিৎ দিপকে আল জাজিরাকে বলেন, ‘ক্ষমতাসীনরা নাগরিকদের অবমূল্যায়ন করে এবং তাদের ‘‘পোকামাকড়’’ হিসেবে দেখে।





