জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়াগি অঞ্চলের গভীর সমুদ্রে। এর আগে গত এপ্রিলে এই অঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল, যার পর সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। জেএমএ সতর্ক করেছে যে ওই অঞ্চলের ভূগর্ভে এখনো বড় ধরনের কম্পনের ঝুঁকি রয়েছে।
জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মিয়াগি ও ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়েনি। তবে ভূমিকম্পের কারণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিনকানসেন বুলেট ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ইস্ট জাপান রেলওয়ে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগ্নেয় মেখলার ওপর অবস্থিত হওয়ার কারণে জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। দেশটিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প মোকাবিলায় ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর নিয়ম মেনে চলা হয়।
২০১১ সালে জাপানে ৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী সমুদ্রতলের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। সেই ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামিতে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হন এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছিল।





