বইটিতে বলা হয়েছে, গত বছরের মে মাসে ভিয়েতনাম সফরের সময় উড়োজাহাজ থেকে নামার আগমুহূর্তে ম্যাক্রোঁর ফোনে অভিনেত্রীর পাঠানো একটি বার্তা দেখে ফেলেন ৭৩ বছর বয়সী ব্রিজিত। সেখানে ফারাহানি লিখেছিলেন, ‘আপনাকে আমার খুব বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়।’ বিনিময়ে ম্যাক্রোঁও তাকে ‘খুব সুন্দরী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। বার্তাগুলো দেখার পর ব্রিজিত মেজাজ হারিয়ে ফেলেন এবং একপর্যায়ে ম্যাক্রোঁকে ধাক্কা দেন।
ভিয়েতনামের হ্যানয়ে উড়োজাহাজ থেকে নামার সময় ব্রিজিতের সেই ধাক্কা দেয়ার দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দী হয়েছিল। তখন ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। যদিও সে সময় ম্যাক্রোঁ দম্পতি বিষয়টিকে স্রেফ ‘মজা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। এলিসি প্রাসাদও তখন একে ‘ভুয়া খবর’ বলে নাকচ করেছিল।
সাংবাদিক ফ্লোরিয়ান তার্দিফ দাবি করেছেন, ৪৮ বছর বয়সী ম্যাক্রোঁ ও ৪২ বছর বয়সী ফারাহানির মধ্যে কয়েক মাস ধরে একধরনের ‘প্লেটোনিক’ বা প্রেমহীন নিবিড় বন্ধুত্ব ছিল। তবে তাদের মধ্যকার কিছু খুদে বার্তার ভাষা ছিল বেশ ঘনিষ্ঠ।
অবশ্য ফারাহানি বরাবরই ম্যাক্রোঁর সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন অস্বীকার করে আসছেন। অন্যদিকে, ফার্স্ট লেডি ব্রিজিতের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো এই দাবিকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। এলিসি প্রাসাদ থেকে নতুন করে এই বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।





