তিনি দাবি করেন, ইসরাইলি পাইলটরা এখন ‘ইরানের আকাশের যেকোনো প্রান্তে পৌঁছাতে সক্ষম’। বিদেশি সরবরাহকারীদের ওপর নির্ভরতা কমাতে আগামী এক দশকে ৩৫০ বিলিয়ন শেকেল (প্রায় ১১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার) ব্যয়ে নিজস্ব অস্ত্র উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ইসরাইল।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসরাইল আগের চেয়ে শক্তিশালী এবং আমাদের শত্রুদের চেয়ে আমাদের সব সময় অনেক বেশি শক্তিশালী থাকতে হবে। আমরা নিজস্ব প্রযুক্তিতে এমন যুগান্তকারী বিমান তৈরি করব, যা পুরো দৃশ্যপট বদলে দেবে।’
ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটি যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং ও লকহিড মার্টিন থেকে এফ-১৫ আইএ এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তিতে সই করেছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বোয়িংয়ের সঙ্গে ৮৬০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি যন্ত্রাংশ ও লজিস্টিক সহায়তাও নিশ্চিত করা হবে।
একই সঙ্গে ইরান ও তার মিত্রদের ড্রোন হামলা মোকাবিলায় একটি বিশেষ প্রতিরক্ষা প্রকল্প চালুর নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ‘এতে কিছুটা সময় লাগবে, তবে আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি।’ দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরাইল কাটজ জানান, এই নতুন পরিকল্পনাটি ‘শিল্ড অব ইসরাইল’ বা ইসরাইলের ঢাল হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে ড্রোনের বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা এবং মহাকাশে সামরিক আধিপত্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।





