আদালতের নতুন নথিপত্র অনুযায়ী, রোববার যেখানে জামিল লিমনের মরদেহ পাওয়া গিয়েছিল, তার আশেপাশেই আরেকটি দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। যদিও ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত শনাক্তকরণ এখনো বাকি, তবে পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহের পরনে থাকা পোশাকগুলো নিখোঁজ হওয়ার দিন নাহিদা বৃষ্টির পরনে থাকা পোশাকের সাথে হুবহু মিলে যায়। মর্মান্তিক বিষয় হলো, জামিল লিমনের মতো নাহিদাকেও একটি কালো আবর্জনার ব্যাগে ভরে একই ধরনের গিঁট দিয়ে বেঁধে ফেলে রাখা হয়েছিল এবং তার শরীরেও একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
এদিকে এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির প্রেক্ষাপটে ইউএসএফ ক্যাম্পাসজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আগামী শুক্রবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বিশাল মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন ইউএসএফ প্রেসিডেন্ট মোয়েজ লিমায়েম। এর আগে বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের পর টাম্পার স্থানীয় মসজিদে জামিল লিমনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। লিমনের মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে পাঠানোর সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাস।
ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা জানিয়েছেন, দূতাবাস স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে যাতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করা যায়।





