প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প মনে করেন না যে ইরান সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনায় অংশ নিচ্ছে। তিনি তেহরানকে এমন এক চুক্তিতে সই করতে বাধ্য করতে চান, যার মাধ্যমে তারা আগামী ২০ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত করবে এবং পরবর্তী সময়ে কঠোর বিধিনিষেধ মেনে চলবে।
এ বিষয়ে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তাদের দ্রুত বুদ্ধিমান হওয়া উচিত!’
আরও পড়ুন:
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ জানায়, সোমবার হোয়াইট হাউজের সিচুয়েশন রুমে এক বৈঠকে ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত নেন। বৈঠকে তিনি মত দেন যে, ইরানে পুনরায় বিমান হামলা শুরু করা কিংবা এই সংঘাত থেকে সরে আসা—উভয়ই হবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
এর পরিবর্তে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানি বন্দরগুলোতে কঠোর অবরোধ বজায় রাখবে। তেহরান যতক্ষণ না ওয়াশিংটনের সব দাবি মেনে নিচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের তেলের রপ্তানি বন্ধ রেখে অর্থনৈতিকভাবে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছেন ট্রাম্প।





