প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘শত্রুরা আমাদের চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে এবং আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালাচ্ছে। তাদের মূল লক্ষ্য হলো জনমনে অসন্তোষ তৈরি করা এবং বর্তমান স্থিতিশীলতাকে বিশৃঙ্খলায় রূপ দেয়া। দেশের মানুষকে এমন কোনো সুযোগ দেয়া উচিত হবে না যাতে এই অসন্তোষ দানা বাঁধতে পারে।’
জ্বালানি ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমাদের এখন সাশ্রয়ী হতে হবে। বাড়িতে ১০টি বাতি জ্বালানোর পরিবর্তে যদি ২টি বাতি জ্বালানো হয়, তবে সমস্যা কোথায়? আমাদের এই ত্যাগটুকুর প্রয়োজন রয়েছে।’
এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, গত কয়েক সপ্তাহের বিমান হামলায় ইরানের বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতেই প্রেসিডেন্ট সরাসরি জনগণের কাছে এই সাশ্রয়ী হওয়ার অনুরোধ জানালেন।





