চলতি মাসের শুরুর দিকে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আজ রাতে একটি পুরো সভ্যতা বিলীন হয়ে যাবে।’ এটি ইরানকে পারমাণবিক হামলার হুমকি কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘অপর পক্ষ (ইরান) একটি চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে আছে। তাই আমি যা বলছি বা যা করছি, তা বেশ ভালোভাবেই কাজে দিচ্ছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।’
ন্যাটোর বিষয়ে ট্রাম্প বলেন,‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের তাদের একদমই প্রয়োজন ছিল না।’ তবে তার মতে, ন্যাটোর সেখানে থাকা ‘উচিত ছিল’। কেন তিনি তাদের যুদ্ধে যোগ দিতে বলেছিলেন—এমন প্রশ্নে ট্রাম্পের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, ‘কারণ আমি দেখতে চেয়েছিলাম এই যুদ্ধে তারা যুক্ত হয় কি না।’
আরও পড়ুন:
যুক্তরাজ্যের ভূমিকার সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সব সময় যুক্তরাজ্য ও ন্যাটোর পাশে ছিল। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার এই যুদ্ধে ন্যূনতম প্রচেষ্টা বা অন্তত ভালো কিছু শব্দ ব্যবহার টুকু করেনি।’
তিনি দাবি করেন, ‘যুক্তরাজ্যের অনেক মানুষ ট্রাম্প প্রশাসনকে জানিয়েছেন যে এই যুদ্ধে না জড়ানোটা ব্রিটেনের জন্য একটি অবিশ্বাস্য রকমের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।’
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য কেবল প্রতিরক্ষামূলক বিমান হামলার জন্য তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ট্রাম্প জানান, যদি স্টারমার উত্তর সাগর উন্মুক্ত করেন এবং অভিবাসন নীতি কঠোর করেন, তবেই তাদের সম্পর্ক আবার জোরালো হতে পারে। অন্যথায় স্টারমারের জন্য কোনো সুযোগ দেখছেন না বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।





