খবরটি পাওয়ার পর তিনি হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের ওপর কয়েক ঘণ্টা ধরে চিৎকার করেন এবং বারবার বলতে থাকেন, ‘ইউরোপীয়রা আমাদের কোনো সাহায্য করছে না।’ মার্কিন ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এই রণমূর্তির কথা উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নিখোঁজ বৈমানিকদের উদ্ধারে ট্রাম্প এতটাই মরিয়া ছিলেন যে তিনি সামরিক বাহিনীকে অবিলম্বে ইরানে স্থল অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন। তবে কর্মকর্তারা তাকে মনে করিয়ে দেন যে, ১৯৭৯ সালের পর থেকে ইরানের ভূখণ্ডে মার্কিন বাহিনীর সরাসরি কোনো স্থল তৎপরতা নেই।
উদ্ধার অভিযানের উত্তেজনাকর মুহূর্তগুলোতে ট্রাম্পের অধৈর্য আচরণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে—এমন আশঙ্কায় শীর্ষ সহযোগীরা তাকে ‘সিচুয়েশন রুম’ থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন। কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে আড়ালে রেখে কেবল গুরুত্বপূর্ণ আপডেটগুলো ফোনে দিচ্ছিলেন। পরে নিখোঁজ দুই বৈমানিককেই সফলভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।





