ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকেই লেবাননের উপর বিধ্বংসী হামলা চালায় ইসরাইল। এই হামলার নিন্দা জানাতে ইন্দোনেশিয়ার সাথে যুক্ত হয়েছে ৬০টিরও বেশি দেশ । এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের জাতিসংঘ দূত আবারও নিশ্চিত করেছে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত।
তবে লেবানন যুদ্ধ এখনই থামছে না বলে হুমকি দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিইয়ামিন নেতানিয়াহু। বৈরুতের সঙ্গে তেল আবিব সরাসরি আলোচনায় বসতে চায় বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিইয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, আমি বলতে চাই, লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই। আমরা হিজবুল্লাহর ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছি এবং আপনাদের নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত থামব না।
এ অবস্থায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এই হামলার ব্যাপারে ইসরাইলকে সমর্থন দিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ভেস্তে দেয়, তাহলে তার পরিণতি বহন করতে হবে। বলেন, এর পেছনে ইসরাইলি নেতার কোনো গোপন উদ্দেশ্য রয়েছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে, এক বিবৃতিতে সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি বলেছেন, ইরান যুদ্ধ চায় না। তবে নিজেদের অধিকারের ব্যাপারে কোন ছাড় নয়। এসময় হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনা নতুনভাবে করার জবাবে জানান তিনি। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরান টোল আদায় করছে অভিযোগ তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অর্থ আদায়ের বিষয়ে কিছু ছিল না। তাই ইরানের সাহায্য থাকুক বা না থাকুক, হরমুজ দিয়ে তেলের পরিবহন শুরু হবে বলেও হুঁশিয়ার করেছেন ট্রাম্প। আর আন্তর্জাতিক জলপথে টোলের কোনো স্থান নেই বলেও মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেন, প্রণালীটির পূর্ণ ও নিঃশর্ত উন্মোচন প্রয়োজন। কারণ সমুদ্রের মৌলিক স্বাধীনতা একতরফাভাবে প্রত্যাহার করা বা কোনো একক দরদাতার কাছে বিক্রি করে দেয়া উচিত নয়। আর একটি আন্তর্জাতিক জলপথে টোলেরও কোনো স্থান থাকতে পারে না। নৌচলাচলের স্বাধীনতার অর্থ হলো নৌচলাচল অবশ্যই অবাধ হতে হবে
এদিকে যুদ্ধবিরতির পর কুয়েতের ন্যাশনাল গার্ড স্থাপনায় ড্রোন হামলার কথা অস্বীকার করেছে আইআরজিসি। অন্যদিকে ইসরাইলে হিজবুল্লাহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে আইডিএফ।





