তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব ও কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারগুলোতে এই আগ্রাসন কেবল আঞ্চলিক বিষয় নয়, বরং এটি বিশ্ব অর্থনীতির ওপর একটি বড় আঘাত।’
আল-বুদাইওয়ি বলেন, ‘কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নেতিবাচক অর্থনৈতিক প্রভাব পড়ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আজ যে হুমকিটি দেখা দিচ্ছে, তা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। তাই তেলের সরবরাহ চেইন সুরক্ষিত রাখা এখন একটি আন্তর্জাতিক দায়িত্ব।’
জিসিসি মহাসচিব বলেন, ‘ইরানকে অবিলম্বে এবং বিনা শর্তে হামলা বন্ধ করার জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ আন্তর্জাতিক বার্তা পাঠানো প্রয়োজন। জিসিসি দেশগুলোর লক্ষ্য ইরানকে ‘ধ্বংস’ করা নয়, বরং তাদের সাথে একটি ‘সুসম্পর্ক’ গড়ে তোলা। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিস্থিতির অবনতি হওয়া মানে একটি সতর্কবার্তা, যা কেবল এই অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।’




