এক্সে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘সমগ্র জাপানের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ নিশ্চিত করতে আমরা ২৬ মার্চ থেকে রাষ্ট্রীয় তেল মজুত ছাড়ব।’
এর আগে গত সোমবার টোকিও বেসরকারি খাতের ১৫ দিনের তেল মজুত ছাড়ার কাজ শুরু করে। তাকাইচি আরও জানান, সরকারিভাবে সংরক্ষিত এক মাসের সমপরিমাণ তেল মজুতও ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। জাপান তার প্রায় ৯৫ শতাংশ তেল আমদানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল।
দেশটির কৌশলগত তেল মজুত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ। ডিসেম্বর পর্যন্ত এর পরিমাণ ছিল ৪০ কোটি ব্যারেলের বেশি। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট মূল্যবৃদ্ধি সামাল দিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সদস্যরা ১১ মার্চ তেলের মজুত ব্যবহারের বিষয়ে সম্মত হয়। এটি এ ধরনের সবচেয়ে বড় সমন্বিত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।





