ওয়াং ই বলেন, ‘চীন-রাশিয়ার “নতুন যুগের সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্ব” একটি নতুন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূলভাবকে ধারণ করে এবং বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে সম্পর্কের নতুন দিকনির্দেশনা তুলে ধরে।’
তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখে, রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থার উচ্চ পর্যায় উপভোগ করে এবং গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোতে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখে।
ওয়াং ই আরও বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো “পিঠে-পিঠ মিলিয়ে কাজ করা” নীতি। এ কৌশলগত দৃঢ়তাই চীন-রাশিয়া সম্পর্ককে যেকোনো বাহ্যিক উসকানি বা চাপের বিরুদ্ধে টিকে থাকতে সক্ষম করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় ৮০ বছর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চীন ও রাশিয়া যৌথভাবে অবদান রাখে। আট দশক পরেও দুটি দেশ বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার বিকাশে নতুন গতি সঞ্চারে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।’





