বিশ্ব জ্বালানি তেলের বাজারে পড়েছে ইরান যুদ্ধের আঁচ। তেহরান কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিলেও ধুঁকছে গোটা বিশ্ব।
ব্যারেল প্রতি অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় ভোক্তা পর্যায়ও দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে পাকিস্তানসহ বিশ্বের অনেক দেশ। এরইমধ্যে সব-ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ২০ শতাংশ বা ৫৫ রুপি বাড়িয়েছে পাকিস্তান। এতে দেশটিতে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রি হচ্ছে ৩২১ রুপির ওপরে। আর পেট্রোলের দাম ছাড়িয়েছে ৩৩৫ রুপি।
আরও পড়ুন:
অস্বাভাবিক হারে দাম বাড়ানো হলেও পাকিস্তানের পেট্রোল পাম্পে গিয়ে মিলছে না চাহিদা মতো জ্বালানি। আর মূল্যস্ফীতির বাজারে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক দামি বৃদ্ধিকে; মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে হানা দিয়েছে। এ অবস্থায় পরিবার নিয়ে রমজান মাস অতিবাহিত করা এবং ঈদ উদযাপন কঠিন হয়ে পড়বে বলে দাবি নিম্ন আয়ের মানুষের। অন্যান্য পণ্যের দামও সবকিছুকে ব্যয়বহুল হওয়া শঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মূল্যস্ফীতির মধ্যে পেট্রোলের দাম ৫৫ রুপি বৃদ্ধি কেবল একটি সংখ্যা নয়। এতে সবকিছুর দাম বাড়বে। তাই সরকারের এটি পুনর্বিবেচনা করা উচিত। সরকার আমাদের কথা ভেবে দাম সহনশীলের পদক্ষেপ নিলে বাচ্চাদের নিয়ে রমজান ও ঈদ উদযাপন সম্ভব হবে। নয়তো কঠিন হয়ে পড়বে।
এমন পরিস্থিতিতে প্রতি সপ্তাহে দাম পুনর্মূল্যায়ন করার আশ্বাস দিয়েছেন পাকিস্তানের জ্বালানি মন্ত্রী। পাকিস্তান মূলত সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল আমদানি করে। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশই সরবরাহ হয় হরমুজ প্রণালী দিয়ে।





