Recent event

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ঘিরে তীব্র হচ্ছে বিজেপি ও কংগ্রেসের বিরোধ

বিজেপি ও কংগ্রেস
বিজেপি ও কংগ্রেস | ছবি: সংগৃহীত
0

ট্রাম্পের ঘোষণার পরেও এখনও পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেনি ভারত। এদিকে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ঘিরে তীব্র হচ্ছে বিজেপি ও কংগ্রেসের বিরোধ। বৃহস্পতিবার মোদির ভাষণ চলাকালেই রাজ্যসভা থেকে ওয়াক আউট করে বিরোধী দল কংগ্রেস। তবে, এসব ডামাডোলের মধ্যেও কংগ্রেস সভাপতিকে একহাত নিয়েছেন মোদি। আরও অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ছেড়ে আসা বিজেপি নেতাকে 'দেশদ্রোহী' বলে গোটা শিখ সম্প্রদায়ের অপমান করেছেন রাহুল গান্ধী।

লেট লিডার অব অপজিশন স্পিক। রাজ্যসভায় ভাষণ দিতে এসেও বিরোধীদের তোপের মুখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বুধবার সরকার ও বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের তীব্র বাকবিতণ্ডায় মোদির পূর্বনির্ধারিত ভাষণ বাতিল হয়। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে সেই ভাষণ দিতে গেলে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগের নেতৃত্বে সভাকক্ষ ত্যাগ করেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির পর গেল দুই দিন ধরেই উত্তাল ভারতের লোকসভা। বুধবার কয়েক দফায় উত্তেজনার পরদিন বৃহস্পতিবারও বদলায়নি পরিস্থিতি। বাকবিতণ্ডার জেরে অধিবেশন থেকে সাময়িক বরখাস্ত হন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের ৮ সদস্য।

লোকসভায় পরপর দু'দিন এসব কাণ্ডের পর বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণের পর জবাবি ভাষণ দিতে আসেন মোদি। ভাষণ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বিরোধীরা ওয়াক আউট করলেও ১ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট কথা বলেছেন মোদি।

আরও পড়ুন:

শুরুতেই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুনকে কটাক্ষ করে বলেন, বয়সের কারণে বসে বসেই স্লোগান দিতে হয়েছে মল্লিকার্জুনকে। ট্রাম্পের কাছে নতি স্বীকার করে চুক্তি করেছেন মোদি- কংগ্রেস নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে বলেছেন, কংগ্রেসের শাসনামলে ভারত বোফর্স চুক্তি দেখেছে।

১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে ভারত ও সুইডেনের মধ্যে এই বোফর্স চুক্তি হয়। কেলেঙ্কারির জন্ম দেয়া এই অস্ত্র-চুক্তির সঙ্গে জড়িত ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী এবং ভারত ও সুইডিশ সরকারের আরও বেশ কয়েকজন সদস্য।

এছাড়া, লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী সংসদের বাইরে বিজেপি নেতা রভনীত সিং বিট্টুকে দেশদ্রোহী বলে আখ্যা দেওয়ার পর বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে বড় ইস্যু হয়ে ওঠে। রভনীত আগে কংগ্রেসে ছিলেন। এদিন, রাজ্যসভার ভাষণে কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে গোটা শিখ সম্প্রদায়কে অপমান করার অভিযোগ তোলেন মোদি।

এদিকে, রাশিয়া থেকে তেল কেনার ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো অবস্থান ব্যাখ্যা করছে না ভারত। বৃহস্পতিবার, পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ভারতের জ্বালানি সংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় শুধুমাত্র দেশের স্বার্থের কথা ভেবে। বাজারের অবস্থা এবং বিশ্বের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে কোথা থেকে জ্বালানি কেনা হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ইএ