একদিকে আলোচনা অন্যদিকে ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ শহরে রাশিয়ার হামলা। সময় যত গড়াচ্ছে ততই ঘোলাটে হচ্ছে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে আসার সম্ভাবনাও।
শুক্রবার দিনগত রাতে রাজধানী কিয়েভ ও দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী খারকিভে বিধ্বংসী হামলা চালায় রুশ সেনারা। একজনের প্রাণহানি ছাড়াও এতে আহত হন বেশ কয়েকজন। দিনিপ্রো নদীর দুই প্রান্ত আগুন ধরে যাওয়ায় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। কিছু কিছু অঞ্চলে বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ। তীব্র শীতে ঘরে উষ্ণতার ব্যবস্থা করতে পারছে ৬ হাজারের বেশি পরিবার।
তবে অব্যাহত আছে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রচেষ্টাও। শুক্রবার প্রথমবারের মতো আরব আমিরাতে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসে যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রতিনিধি দল। কিন্তু দোনবাসের নিয়ন্ত্রণ ইস্যুতেই থমকে যায় সে আলোচনা।
আরও পড়ুন:
ইউক্রেনীয় সেনা কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, অঞ্চল ভাগাভাগির প্রশ্নে ছাড় দিয়ে রাজি নয় কিয়েভ ও মস্কো। যদিও রাতারাতি কোনো সমাধান নয় বরং শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি রূপরেখাই নির্মাণ করতে আলোচনায় বসে দুইপক্ষ।
যদিও এখনও আশা ছাড়েননি ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট। তবে যারা যুদ্ধ শুরু করেছে, অর্থাৎ রাশিয়ার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করছে বলে মন্তব্য জেলেনস্কির।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা আমিরাতে আছেন। ঘণ্টায় ঘণ্টায় তারা আমাকে আলোচনার অগ্রগতি জানাচ্ছেন। কূটনৈতিকভাবে ত্রিপাক্ষিক এই বৈঠকের গুরুত্ব অনেক। তবে সবকিছুই রাশিয়ার ওপর নির্ভর করছে। তারাই এই সংঘাত শুরু করেছে।’
শনিবার আমিরাতে দ্বিতীয় দিনের মতো বৈঠক করবে ইউক্রেন-যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। প্রথম দিনের আলোচনার রেশ ধরে দোনবাসের নিয়ন্ত্রণ ইস্যুটি আবারও গুরুত্ব পাবে বৈঠকে।



