সেলফ ইটিং স্পেইসক্র্যাফট ভ্রমণের সময় প্রয়োজনে নিজের আকারকে ছোট করে ফেলতে পারে। এর উদ্ভাবক স্যাম রিচার্ডস এমনটাই আখ্যা দিয়েছেন। যার মাধ্যমে মহাকাশ অভিযানের সময় আকার কমিয়ে এবং ধীরে ধীরে ওজনও কমাতে পারে বলেও দাবি উদ্ভাবকের। ফলে দূরের পথ অতিক্রম করাও সহজ হবে এবং স্বল্প খরচের মহাকাশ অভিযানের জন্য তৈরি যানটি নতুন কক্ষপথ উন্মুক্ত করতে সক্ষম হবে বলেও জানান তিনি।
মেরিডিয়ান স্পেস কমান্ড ড. স্যাম রিচার্ডস আরও বলেন, ‘ওজন কমলে শক্তি অনেক বেশি হবে। ফলে পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে যেখানে অনেক উপগ্রহ রয়েছে সেখানে সহজেই পাঠানো সম্ভব। এমনকি এমন জায়গায় যেখানে বিজ্ঞান যেতে যায়, তবে ব্যয়বহুল বলে এখনও পৌঁছাতে পারেনি।’
আরও পড়ুন:
অভিনব প্রযুক্তিতে তৈরি মহাকাশযানটির ট্যাংকের আকার ছোট করার ফলে ভেতরের চাপ বাড়ে। এই বাড়তি চাপ ট্যাংকের ভেতরে তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে সংরক্ষিত হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের চাপ বাড়ায়। সেখান থেকেই মহাকাশযানের চালার শক্তি উৎপন্ন হয়।
এই ইকোনমিক্যাল ট্রান্সফার ভেহিকেল, বাণিজ্যিক রাইড-শেয়ারিং রকেটে করেও মহাকাশে নেয়া যাবে। এরপর সেখান থেকে এটি নিজ শক্তিতে এমন কক্ষপথে যাবে, যেগুলো বর্তমানে অনেক বৈজ্ঞানিক কর্মসূচির নাগালের বাইরে বলে জানান উদ্ভাবক। এতে কক্ষপথে জমে থাকা মহাকাশ আবর্জনাও কম তৈরি হয় এবং তুলনামূলক ভাবে বেশি টেকসই বলেও দাবি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
উদ্ভাবক আরও বলেন, ‘মহাকাশ নিয়ে অনেক বিশেষায়িত মিশন হয়। বিশেষায়িত মিশনের মাধ্যমে মহাকাশের অনেক অজানা স্থানে যাওয়া প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়ায়। এই সাশ্রয়ী নতুন প্রযুক্তির মহাকাশযান সেই মিশনে সফলতা বয়ে আনতে পারবে।’
এরইমধ্যে মহাকাশযানটি ক্রয়ে ভারত ও যুক্তরাজ্যের দুটি প্রতিষ্ঠান বুকিং দিয়ে রেখেছ বলেও জানা যায়। যুক্তরাজ্যের স্পেইস এজেন্সির অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পটি বর্তমানে প্রাথমিক নকশা পর্যালোচনা পর্যায়ে রয়েছে।





