এর আগে, সোমবার রাজধানী কাবুলের একটি রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে এক চীনা নাগরিক ও ছয় আফগানসহ মোট ৭ জন নিহত হয়। শিশুসহ আহত হয় অন্তত ১৩ জন।
কাবুল পুলিশের মুখপাত্র বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ অফিস, শপিং কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন দূতাবাস থাকায় এ বিশেষ অঞ্চলটিকে দেশের অন্যতম সুরক্ষিত জোন হিসেবে ধরা হতো।
আরও পড়ুন:
আরও জানা যায়, এক চীনা মুসলিম ও স্থানীয় আফগান যৌথভাবে এ রেস্তোরাঁটি চালাতেন। চাইনিজ মুসলিম কমিউনিটিতে এটি খুব জনপ্রিয়ও ছিল।
বোমা হামলার পর আইএসের নিজস্ব সংবাদমাধ্যম আমাক নিউজ এজেন্সি জানায়, উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর চীনা সরকারের নির্যাতনের প্রতিবাদে এ হামলা করা হয়েছে। আফগানিস্তানের বসবাসরত চীনা নাগরিকদের ভবিষ্যতেও হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।





