আইসিইবিরোধী আন্দোলন: সেনা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ পেন্টাগনের, বিক্ষোভ অব্যাহত

আইসিইবিরোধী আন্দোলন
আইসিইবিরোধী আন্দোলন | ছবি: সংগৃহীত
0

আইসিইবিরোধী আন্দোলন দমাতে মিনেসোটায় সম্ভাব্য মোতায়েনের জন্য ১৫০০ সেনাকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে পেন্টাগন। এদিকে, এখনও রাস্তায় না নামলেও অঙ্গরাজ্যটির জননিরাপত্তার সহায়তায় ন্যাশনাল গার্ড প্রস্তুত বলে জানিয়েছে মিনেসোটার জননিরাপত্তা বিভাগ। তবে ট্রাম্পের ক্রমাগত হুমকি ও আইসিই এজেন্টদের তৎপরতা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে মিলিয়াপলিসে। শনিবার অভিবাসন ইস্যুতে পাল্টাপাল্টি সংঘাতে জড়ায় এর পক্ষে-বিপক্ষের সমর্থকরা।

তীব্র শীত কিংবা রাতের অন্ধকার কোনো কিছুই ঠেকাতে পারছে না মিনেসোটার আইসিইবিরোধী আন্দোলনকারীদের। 'অভিবাসী এজেন্ট শহর ছাড়ো', এমন প্রতিবাদী স্লোগানে মুখর মিনিয়াপোলিস শহর।

শনিবার অভিবাসন ইস্যুতে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভে রণক্ষেত্র মিনিয়াপোলিসের সিটি হল এলাকা। ট্রাম্প সমর্থক ও কট্টর ডানপন্থী কর্মী জ্যাক ল্যাংয়ের ডাকে মার্চ এগেইনস্ট মিনেসোটা ফ্রড ব্যানারে অভিবাসনবিরোধী নীতির পক্ষে সিটি হলের বাইরে জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা। এসময়, বিপরীত দিক থেকে আইসিইবিরোধী বিক্ষোভকারীরা তাদেরকে ঘিরে ফেললে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

আরও পড়ুন:

পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় সরিয়ে নেয়া হয় জ্যাক ল্যাংকে। আলোচিত ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় দোষী সাব্যস্তদের একজন ল্যাং। যাকে সম্প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এদিকে, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গ্রেফতার ও ধরপাকড় না চালানোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে এটি মেনে চলতে কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছেন মিনিয়াপোলিসের বাসিন্দারা।

অবৈধ অভিবাসী নিয়ন্ত্রণের নামে মিনেসোটায় অন্তত ৩ হাজার আই.সি.ই এজেন্ট নিয়োগ দিয়েছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। এছাড়াও, বৃহস্পতিবার বিশেষ আইন জারি করে অঙ্গরাজ্যটিতে সেনা পাঠানোর হুঁশিয়ারিও দেয়া হয়।

ইএ