হোয়াইট হাউসের ‘বোর্ড অব পিস’ গঠিত, গাজার শান্তি পরিকল্পনায় টনি ব্লেয়ার–মার্কো রুবিও

টনি ব্লেয়ার ও মার্কো রুবিও
টনি ব্লেয়ার ও মার্কো রুবিও | ছবি: সংগৃহীত
0

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ও বর্তমান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে অন্তর্ভুক্ত করে গাজায় শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে 'বোর্ড অব পিস' ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউজ। এটি দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাময়িকভাবে গাজার প্রশাসন পরিচালনা ও পুনর্গঠন তদারকি করবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। এদিকে শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে পর্যালোচনা করতে মিশরের কায়রোতে বৈঠক করেছে প্যালেস্টাইনিয়ান টেকনোক্র্যাটিক কমিটি।

ফিলিস্তিনে টানা দুইবছর ইসরাইল-হামাস সংঘাতের পর গেল অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এটি ছিল গাজায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ। এর আওতায় ছিল জিম্মি বিনিময়, গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার ও ত্রাণ সহায়তা বৃদ্ধি। গেল বুধবার ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরুর ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শুক্রবার (১৬, জানুয়ারি) 'বোর্ড অব পিস' ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউজ। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে অন্তর্ভুক্ত করে বোর্ডটির চেয়ারম্যান হয়েছেন স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্প। এছাড়া আরও রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও তার জামাতা জ্যারেড কুশনার। টনি ব্লেয়ার, মার্কো রুবিও, স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

হোয়াইট হাউজ বলছে, বোর্ডটি সাময়িকভাবে গাজার প্রশাসন পরিচালনা ও পুনর্গঠন তদারকি করবে। এছাড়া, প্রত্যেক সদস্য গাজার স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানায় হোয়াইট হাউজ। সময়ের সাথে সাথে বোর্ডে আরও সদস্য যুক্ত হবে বলেও জানানো হয়।

আরও পড়ুন:

এদিকে গাজা পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন ফিলিস্থিনি সংস্থা প্যালেস্টাইনিয়ান টেকনোক্র্যাটিক কমিটি শুক্রবার মিশরের কায়রোতে প্রথম বৈঠক করেছে। শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে পর্যালোচনা করবে কমিটি।

এদিকে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে। এরই মধ্যে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭১,৪৫৫ জনে। এরমধ্যে শুক্রবারই ১৪ জনের মৃতদেহ গ্রহণ করেছে গাজার বিভিন্ন হাসপাতাল। গেল অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে অন্তত ৪৬৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইল।

অন্যদিকে ইসরাইলের অব্যাহত অভিযানের মধ্যেই পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি স্থাপন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

এএম