এক নাটকীয় অভিযানে শনিবার গভীর রাতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সুদূর ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে গেছে মার্কিন এলিট ফোর্স। যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপে ভূ-রাজনীতি নিয়েছে নতুন মোড়। অথচ শনিবারের এমন মার্কিন অভিযানের আগ পর্যন্তও মাদুরো, কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তেল পরিবহন চালিয়ে গেছেন।
আরও পড়ুন:
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং মনিটরিং পরিষেবা ট্যাংকার ট্র্যাকারসের তথ্য মতে, নতুন বছরের শুরু থেকেই ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল এবং জ্বালানি বোঝাই প্রায় এক ডজন ট্যাঙ্কারের রাতের গভীর অন্ধকারে দেশের জলসীমা ত্যাগ করার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। অভিযানের পর শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানায়, ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। অবশ্য তিনি এও বলেছেন, চীনসহ ভেনেজুয়েলার বৃহত্তম গ্রাহকরা তেল পেতে থাকবে।
ট্যাংকার ট্র্যাকারস এবং রাষ্ট্র পরিচালিত ভেনেজুয়েলার তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ -এর শিপিং নথি অনুসারে, প্রায় এক ডজন ট্যাঙ্কারের সবগুলোই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে এবং সেগুলোর বেশিরভাগই সুপারট্যাঙ্কার যা সাধারণত ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল চীনে পরিবহন করে। তবে রয়টার্স জানায়, সোমবার হোয়াইট হাউস, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, পিডিভিএসএ এবং ভেনেজুয়েলার তেল মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেননি।
গত মাসে মার্কিন অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির তেল রপ্তানি অনেকটা স্থবির হয়ে গেছে। ভেনেজুয়েলার আয়ের প্রধান উৎস তেল রপ্তানি। মাদুরো পরবর্তী ভেনেজুয়েলাতে, দেশ পরিচালনায় এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্যেও এই আয় অপরিহার্য, যা এখন অনেকটাই যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।





