অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও সংঘাত: কুখ্যাত বন্দিশিবির এমডিসির অন্ধকার চিত্র

বন্দিশিবির এমডিসি
বন্দিশিবির এমডিসি | ছবি: সংগৃহীত
0

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, প্রয়োজনীয় কর্মী সংকট আর বন্দিদের মধ্যে সহিংসতার কারণে কুখ্যাত বন্দিশিবির হিসেবে পরিচিত এমডিসি। আটককেন্দ্রের ভেতরে বেশ কয়েকবার বন্দিদের মধ্যে দাঙ্গার ঘটনায় প্রাণ হারান বেশ কয়েকজন। এছাড়া, ২০১৯ সালে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বন্দিদের করা মামলায় জরিমানা গুণতে হয়েছিল কর্তৃপক্ষকে। মাদুরো ছাড়াও, বেশ কয়েকজন হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিত্ব এমডিসিতে বন্দি ছিলেন।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুর্ধর্ষ ডেল্টা কমান্ডো ইউনিটের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে স্ত্রীসহ বন্দি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। সোমবার ম্যানহাটনের আদালতে মাদক- সন্ত্রাস মামলায় বিচারের জন্য তোলা হবে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে।

বর্তমানে ব্রুকলিনের একটি বন্দি শিবিরে রাখা হয়েছে তাদের। এরইমধ্যে সিএনএন, বিবিসিসহ একাধিক গণমাধ্যমে উঠে আসছে ডিটেনশন সেন্টারটির ভয়াবহ তথ্য। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, প্রয়োজনীয় কর্মী সংকট, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো সমস্যার কারণে অসহনীয় ও ভীতিকর হিসেবে পরিচিত কুখ্যাত এই কারাগারটি।

আরও পড়ুন:

সাধারণ বন্দি ছাড়াও অনেক হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিত্বেরও দিন কেটেছে বন্দিশালাটির চার দেয়ালের মাঝে। এর আগে পপ তারকা আর কেলি, যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সহযোগী গিলেন ম্যাক্সওয়েল ও র‌্যাপার শন ডিডি কম্বসকে এই আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। এছাড়া, মেক্সিকোর মাদক সম্রাট এল চাপোকেও রাখা হয় এমডিসিতে।

বন্দিদের মধ্যে সংঘর্ষ ও দাঙ্গার কারণেই কুখ্যাত নিউইয়র্কের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার। ২০২৪ সালে বন্দিশিবিরটিতে অন্তত ২ বার সহিংসতার ঘটনায় প্রাণহানি ঘটে। তবে একাধিকার সহিংসতার ঘটনা ঘটলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

বন্দিদের প্রাপ্য অধিকার থেকেও বরাবর বঞ্চিত রাখে এমডিসি। ২০১৯ সালে টানা ১ সপ্তাহ বিদ্যুৎবিহীন ছিলেন বন্দিরা। পরে বিষয়টি মামলা পর্যন্ত গড়ালে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

১৯৯০ এর দশকে কারাগারে থাকা বন্দিদের অতিরিক্ত চাপ কাটাতে মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারটি নির্মাণ করা হয়। এটি বর্তমানে নিউইয়র্ক সিটির একমাত্র কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার।

ইএ