যে জেনজিদের আন্দোলনের জেরে ক্ষমতা-ভার গ্রহণ করেছে নেপালের নতুন অন্তর্বর্তী সরকার, এবার তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে নতুন অধ্যাদেশ জারির উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে দেশটি।
নেপালের প্রচলিত ভোটার নিবন্ধন আইন অনুযায়ী, দেশটিতে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর নতুন করে আর কেউ ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারবে না। আর এটি বিদ্যমান থাকলে ভোটাধিকারের সুযোগ হারাবে জেনজিদের অন্তত ১০ হাজার প্রতিনিধি।
নেপালের নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বরের ১২ তারিখ পর্যন্ত যেসকল ভোটার নিবন্ধিত হয়েছে শুধু তারাই পরবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। আর তাই আইনটি পরিবর্তনে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আবেদন করেছে নেপালের নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন:
আইনটি সংশোধনে অধ্যাদেশ জারি করতে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাম প্রসাদ ভান্ডারি। জানান, ভোটার তালিকা নিবন্ধনের মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ানোর বিবেচনা করছে অন্তর্বর্তী সরকার।
এদিকে, নেপালের শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের যাত্রায় নয়াদিল্লী সবসময় পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার, নেপালের অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান সুশীলা কার্কির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন মোদি। এতে তিনি সম্প্রতি জেন-জি আন্দোলনে নিহত শহীদদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান ও পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে নেপালের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
অন্যদিকে, নেপালের সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত লুটপাটের প্রমাণ হিসেবে কমপক্ষে ৩০ হাজার ই-মেইল হাতে পেয়েছে নেপাল পুলিশ। এগুলো দেখে আন্দোলনের সময় সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় যারা লুট চালিয়েছে তাদের গ্রেফতার করা হবে জানিয়েছে নেপাল পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।





