ট্রাম্প মোবাইলের এক মুখপাত্র জানান, এ তথ্য ফাঁসের ঘটনায় কোনো আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খোয়া যায়নি; যা কিছুটা স্বস্তির। তবে প্রতিষ্ঠানটি এ স্বীকারোক্তি কেবল তখনই দিয়েছে, যখন সাধারণ গ্রাহকরা নিজেরাই ইন্টারনেটে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য খুঁজে পেতে শুরু করেন। যে কারণে বিশেষজ্ঞরা দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রাহকদের নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংবেদনশীল তথ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন।
তথ্য ফাঁসের বিষয়টি ট্রাম্প মোবাইল স্বীকার করলেও, তারা এখনও সরাসরি তাদের গ্রাহকদের এ বিষয়ে কিছুই জানায়নি। যারা ন্যূনতম ৫০০ ডলার ব্যয় করে স্মার্টফোন কিনেছেন তাদের নোটিফিকেশনের মাধ্যমে এ বিষয়ে জানানোর প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কোম্পানিটি।
যদিও ট্রাম্প মোবাইলের মুখপাত্র ক্রিস ওয়াকার এ ঘটনার দায় চাপিয়েছেন একটি থার্ড-পার্টি প্লাটফর্ম প্রোভাইডারের ওপর, যারা কোম্পানির কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তবে সেই প্রোভাইডারের নাম প্রকাশ করা হয়নি, ফলে এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের আদৌ অস্তিত্ব আছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
গত বছরের আগস্টে ট্রাম্প মোবাইলের মডেলগুলো বাজারে আসার কথা ছিল। প্রথম দফায় সেটি অক্টোবর পর্যন্ত পেছায়। দ্বিতীয় দফায় আবারও ডিভাইসগুলো বাজারে আনার সময় পেছায় কোম্পানি। ফলে চলতি সপ্তাহেও গ্রাহকরা তাদের স্মার্টফোন হাতে পাবেন কি না সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ডিভাইসগুলো যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি করা হবে বলে জানানো হলেও সেটিও মিথ্যে হিসেবে সামনে এসেছে। বর্তমানে কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রচার করা হচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসীদের কথা মাথায় রেখেই ডিভাইসগুলো তৈরি করা হচ্ছে।





