‘ওয়ার্ল্ডওয়াইড এআই অ্যান্ড জেনারেটিভ এআই স্পেন্ডিং গাইড’ অনুযায়ী, চীন ও জাপানসহ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে এআই ও জেনএআইয়ের পেছনে ২০২৪ সালে ব্যয় ছিল ৭৩ বিলিয়ন ডলার।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ২০২৯ সালে এ ব্যয়ের পরিমাণ ৩৭০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে পাঁচ গুণ বৃদ্ধির প্রতিফলন।
এ খাতের মধ্যে জেনএআই সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অংশ, যা ২০২৯ সালের মধ্যে প্রায় ১৭৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। এটি এ অঞ্চলের মোট এআই ব্যয়ের প্রায় অর্ধেক (৪৭.৪%)। এ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে যে, প্রতিষ্ঠানগুলো এখন প্রাথমিক পর্যায় কাটিয়ে এআই-কে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গ্রহণ করছে।
আইডিসি এশিয়া-প্যাসিফিকের সিনিয়র মার্কেট অ্যানালিস্ট বিনায়ক ভেঙ্কটেশ বলেন, ‘এশিয়া-প্যাসিফিকের এআই বাজার এখন অবকাঠামো নির্মাণের পর্যায় থেকে প্লাটফর্ম একত্রীকরণ এবং কার্যক্রমের গভীরতা বাড়ানোর পর্যায়ে চলে এসেছে।’
ব্যবসায়িক অগ্রাধিকারের সমন্বয়ের ফলে এ প্রবৃদ্ধি ঘটছে। প্রতিষ্ঠানগুলো জটিল কাজের চাপ সামলানো, গ্রাহকদের অতি-ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা প্রদান এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এআইতে বিনিয়োগ করছে। একইসঙ্গে রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিক্স এবং সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্সের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এআইকে একটি ঐচ্ছিক বিনিয়োগের বদলে অপরিহার্য সক্ষমতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
এজেন্টিক এআই বাজারকে নতুন রূপ দিচ্ছে। এখন এআই সিস্টেমগুলো কেবল সিদ্ধান্ত নিতে আইডিসি আশা করছে যে, প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে কারণ প্রতিষ্ঠানগুলো বিচ্ছিন্ন ব্যবহার থেকে বেরিয়ে এসে এন্টারপ্রাইজব্যাপী এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলবে। তবে খরচ নিয়ন্ত্রণ, নিয়ন্ত্রণমূলক বিধিবিধান এবং দক্ষ জনবলের অভাব কিছু বাজারে এই গতির পথে চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।





