দেশের ইতিহাসে প্রথমবার পোস্টাল ব্যালেটে ভোট দিলেন প্রবাসীরা। দেশের অভ্যন্তরে সাড়ে ৬ লাখের বেশি ও প্রবাসে থেকে ভোট দিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৫ লাখ ভোটার। তবে, নির্বাচন কমিশনের প্রাপ্ত ১১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯৩ পোস্টাল ব্যালটের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে গ্রহণ করা হয় ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৪৯৭ জনের ভোট।
ভোটে অংশ নেয়ার পাশাপাশি নতুন সরকারের কাছে প্রবাসীদের প্রত্যাশাও অনেক। বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধ করা, অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনা, প্রবাসী ব্যাংকের ঋণ সুবিধার মতো মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে জোর দিতে নতুন সরকারের প্রতি আহ্বানও তাদের।
বাংলাদেশি প্রবাসীদের একজন বলেন, ‘এয়ারপোর্টে যখন আমরা যাই অনেক হয়রানির শিকার হই। আমি নতুন সরকারের কাছে এটি অনুরোধ করবো যেন এটি বন্ধ করে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়।’
আরও পড়ুন:
এছাড়াও, বিভিন্ন দেশে শ্রমিক ভিসা নিয়ে জটিলতা রয়েছে। সংকট নিরসনেও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের দাবি তাদের।
অন্য আরেকজন প্রবাসী বলেন, ‘অনেক প্রবাসীদের ভিসার জটিলতা। অনেকেই ভিসা পাচ্ছে না। অনেকে অবৈধভাবে এখানে বসবাস করছে। তাদের একটি সমাধানের দিকে নজর দিতে হবে।’
নির্বাচিত সরকারকে অভিবাদন জানানোর রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রত্যাশা, তাদের জন্য দেয়া ইশতেহার যথাযথ বাস্তবায়ন করবে নবনির্বাচিত সরকার।





