এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। সময়মতো ঘর থেকে বের হতে না পারায় অনেকেই কাজের সন্ধান পাচ্ছেন না।
শীতের কারণে শহরের রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতিও অন্য সময়ের থেকে কম দেখা যাচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।
রাতভর বৃষ্টির মত ঝরছে কুয়াশা। তীব্র শীতে কষ্টে দিন কাটছে ছিন্নমূল মানুষের। ঠান্ডায় ব্যাহত হচ্ছে কৃষি কাজ। জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হাসপাতালগুলোতেও বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।
আরও পড়ুন:
ঘন কুয়াশার কারণে দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর সকালে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌরুটে শুরু হয়েছে ফেরি চলাচল।
এদিকে, কয়েক দিনের ব্যবধানে পঞ্চগড়ে আবারো শৈত্য প্রবাহ নেমেছে। কনকনে ঠান্ডায় দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এছাড়া, গত তিন দিন ধরে নীলফামারীর সৈয়দপুরে রোদের দেখা মিললেও সকালবেলা যথেষ্ট কুয়াশা থাকছে। এতে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।





