ভোর থেকেই আকাশ ঢেকে থাকে ঘন কুয়াশায়। দিনের বেলাতেও সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। বেলা বাড়লে সূর্যের দেখা মিললেও তীব্র শীত ও ঠান্ডা বাতাসে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
প্রয়োজনের তাগিদে সকাল থেকেই কাজে বের হতে দেখা গেছে শ্রমজীবী মানুষ ও রিকশাচালকদের। তবে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।
আরও পড়ুন:
কুমারখালী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে।
আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ বলেন, ‘প্রতিদিনই তাপমাত্রা কমছে, ফলে শীতের তীব্রতা বাড়ছে। এ অবস্থা আরও দুই-একদিন থাকতে পারে। এসময় শিশুদের প্রতি বাড়তি যত্ন ও সতর্ক থাকতে হবে।’





