চবিতে শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ সত্য নয়: দুদক

দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে
দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে | ছবি: এখন টিভি
0

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নিয়োগ নিয়ে ওঠা সাম্প্রতিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসময় প্রাথমিকভাবে চবিতে অতিরিক্ত শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারিরী নিয়োগের প্রমাণ পায়নি বলে জানিয়েছে দুদক। একইসঙ্গে সাম্প্রতিক ১৫০ জন শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের অভিযোগও সত্য নয় বলে জানিয়েছে দুদক।

আজ (বুধবার, ১৪ জানুয়ারি) দুপুরে প্রায় আড়াই ঘণ্টা উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দীন খানের কার্যালয়ে নিয়োগ সংক্রান্ত নথি সংগ্রহ করেন। এসময় উপ-উপাচার্য শমীম উদ্দীন খান ও উপ-উপাচার্য কামাল উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

দুদক জানায়, অভিযানে বেশকিছু নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। একইসঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী জনশক্তির বিষয়টি প্রশাসনের পক্ষ থেকে তুলে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত নিয়োগের তথ্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:

উপাচার্য ড. ইয়াহহিয়া আখতার দেশের বাইরে অবস্থান করায় কিছু নথি সংগ্রহ করা যায়নি। তিনি দেশে ফিরলে নথি সংগ্রহ করে কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলেও জানায় দুদক।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনায় যে সংখ্যক জনবল দরকার অনেকখানেই তার ঘাটতি রয়েছে। তাই সমস্ত নিয়ম মেনেই শূন্যস্থানে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুরনো অস্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্তদের স্থায়ী করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক কয়েকটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতিরিক্ত নিয়োগ ও স্বজনপ্রীতির যে আলোচনা চলছে তা অসত্য বলেও মন্তব্য করে প্রশাসন।

এফএস