বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এবারও ঢাবি শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে। উল্লেখ্য, গত দুই বছরের র্যাঙ্কিংয়েও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশ সেরা হয়েছিলো।
বিশ্বের ১ হাজার ৫০৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর এই র্যাঙ্কিং তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সামগ্রিক মান মূল্যায়নের জন্য বর্তমানে মোট ৯টি সূচক ব্যবহার করে, যার প্রতিটিতে সর্বোচ্চ স্কোর ১০০। সূচকগুলোর গড় স্কোরের ভিত্তিতে চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারিত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রতিফলন ঘটিয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির সামগ্রিক স্কোর ২৮.৩। একাডেমিক সুনাম সূচকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২৮.৩ স্কোর অর্জন করেছে, যা দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি বহন করে।
আরও পড়ুন:
কর্মসংস্থান ফলাফল সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টি ৯৫.০ স্কোর অর্জন করেছে, যা স্নাতকদের কর্মক্ষেত্রে উচ্চ গ্রহণযোগ্যতা ও সফলতার প্রতিফলন। একইসঙ্গে নিয়োগদাতাদের দৃষ্টিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির সুনাম সূচকে প্রাপ্ত ৫০.৮ স্কোর চাকরিদাতাদের কাছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক ভাবমূর্তিকে নির্দেশ করে।
গবেষণা ও আন্তর্জাতিকীকরণের ক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয়টি উল্লেখযোগ্য অবস্থান ধরে রেখেছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক সূচকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোর ৬১.১, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। টেকসই উন্নয়ন সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টি ৬০.৬ স্কোর অর্জন করেছে, যা পরিবেশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এর অঙ্গীকারকে তুলে ধরে।
অন্যদিকে, সাইটেশনস পার ফ্যাকাল্টি এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্কোর যথাক্রমে ৮.০ ও ৮.০। আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাত সূচকে ২.০ এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাত সূচকে ১.৪ স্কোর অর্জিত হয়েছে। এসব সূচক ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিকীকরণ ও গবেষণা সক্ষমতা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার দিকটিও নির্দেশ করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাফল্য শিক্ষা, গবেষণা, আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিফলন।





